ব্রেকিং নিউজ

৬০০ কোটি টাকার জন্য ব্যবসায়ী হাইকোর্টে

নিউজ ডেস্ক : কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের নির্দেশে জব্দ করা দুটি বিলাশ বহুল বাড়ি এবং প্রায় ছয় কোটি টাকার সম্পদ ছাড়িয়ে নিতে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল হক ভুট্টো।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন করা হয়।গত ১৬ জুন এ আবেদন করা হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

ওই আবেদনে সম্পদ জব্দের বিষয়ে কক্সবাজার আদালতের আদেশ স্থগিত চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কক্সবাজার আদালতের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে। আজ বুধবার এ আবেদনের ওপর আংশিক শুনানি হয়েছে। আদালত আগামী ২৫ জুন পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। এদিন মানিলন্ডারিং মামলায় সিআইডির তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞের মত জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। এজন্য বিশেষজ্ঞদের আদালতে হাজির করতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান একে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আদালতে নুরুল হক ভুট্টোর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন প্রবীর রঞ্জন হালদার।

জানা যায়, মাদকদ্রব্য ইয়াবা পাচারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ বানান কক্সবাজারের ইয়াবা ব্যবসায়ী নুরুল হক ভুট্টোসহ তার পরিবার। মানিলন্ডারিং আইনে করা নারায়ণগঞ্জের একটি মামলায় তদন্তকালে নুরুল হক ভুট্টোর অবৈধ সম্পদের তথ্য পায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। এরপর তদন্তে নেমে ভুট্টোর মাদক ব্যবসা ও সম্পদের পাহাড়ের তথ্য পায়। এরপর সিআইডি পুলিশের অর্গানাইজড ক্রাইম (ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড) এর সহকারি পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন ২০১৭ সালের ২৯ আগষ্ট টেকনাফ থানায় নুরুল হক ভুট্টো, তার পিতা, স্ত্রী, ভাইসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় পুলিশের আবেদনে গত ৫ মার্চ কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত এক আদেশে ভুট্টোর পরিবারের সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশে পুলিশ মামলায় বর্ণিত সম্পদ জব্দ করে। সেই থেকে এই সম্পদ জব্দ করা অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে মামলার দিনেই (২০১৭ সালের ২৯ আগষ্ট) পুলিশ নুরুল হক ভুট্টোকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি গত বছর ২৮ মার্চ হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন। এরপর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাবার পর দীর্ঘদিন নিম্ন আদালতে স্বশরীরে হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দাখিল করছেন বলে জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

Related posts