শিক্ষা

ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব ৩ শিক্ষককে ক্লাস নিতে মানা

0 - Copy
ঢাকা: ছাত্রীকে হুমকি ও অনৈতিক প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগের সত্যতা মেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মীর মোশারেফ হোসেনকে (রাজীব মীর) স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়ে এক আদেশ জারি করেছে প্রশাসন। ছাত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের সময় দুই নারী শিক্ষকের নাম উল্লেখ করায় ওই দুই শিক্ষক বর্ণনা ভৌমিক ও প্রিয়াঙ্কা স্বর্ণকারকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে প্রধান করে সব অনুষদের ডিন ও রেজিস্ট্রারকে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে শিগগিরই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সাংবাদিকতা বিভাগের কয়েকজন ছাত্রী তার বিরুদ্ধে তাদের হুমকি দেয়া ও খারাপ কথা বলাসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ এনেছেন। একজন ছাত্রী অভিযোগ করেছেন যে শিক্ষক রাজীব মীরের প্রস্তাব শুনতে না চাইলে তাকে পরীক্ষায় কম নম্বর দেবেন বলে হুমকি দেয়া হয়। অন্য অভিযোগগুলো সম্পর্কে তদন্তের পর বলা যাবে। তিনি আরও বলেন, তদন্ত কমিটি কয়েকটি ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনা করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। এ কারণে তারা বলেছেন যে ওই তিন শিক্ষককে স্নাতকোত্তরের শিক্ষা কার্যক্রমে রাখা যায় না। তাতে অভিযোগকারীরা বিপদে পড়তে পারেন। এ কারণে আজ থেকে তিন শিক্ষককে ওই শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

রাজীব মীর ছাড়া অপর দুই নারী শিক্ষককে স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়ার কারণ সম্পর্কে উপাচার্য মীজানুর রহমান বলেন, ছাত্রী অভিযোগে বলেছেন, শিক্ষক রাজীব মীর তাকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, তার কথা না শুনলে ওই দুই নারী শিক্ষকও ওই ছাত্রীকে পরীক্ষায় কম নম্বর দেবেন। উপাচার্য বলেন, ওই ছাত্রীসহ অভিযোগকারী ছাত্রীরা তিন থেকে চার পৃষ্ঠায় নানা অভিযোগের কথা লিখেছেন। কিছু কথোপকথনের রেকর্ডও উপাচার্য কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন। এগুলো তদন্ত কমিটির কাছে দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button