ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দাবী করলেও আমদানিতে রেকর্ড ছাড়িয়েছে

Image result for চাল

বাংলাদেশ সরকার দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দাবি করে আসলেও, চলতি অর্থ বছরে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে খাদ্য আমদানি হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে মোট আমদানিকৃত খাদ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯০ লাখ মেট্রিক টনে।

এর পেছনে সাম্প্রতিক বন্যা, ফসলে ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব এবং একের পর এক দুর্যোগে সরকারের ত্রাণ ভাণ্ডারের ঘাটতিকে প্রধান কারণ বলে মনে করা হয়।

বাংলাদেশে দুযোর্গ নতুন কিছু নয় বরং নির্বাচনের বছরকে সামনে রেখেই এই আমদানি বাড়ানো হয়েছে।

ড. আসাদুজ্জামান, সাবেক গবেষণা পরিচালক, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)

কিন্তু বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান- বি-আই-ডি-এসের সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান জানান, বাংলাদেশে দুযোর্গ নতুন কিছু নয় বরং নির্বাচনের বছরকে সামনে রেখেই এই আমদানি বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, দেশে আকস্মিক বন্যার কারণে ফসলের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিলো তা কাটিয়ে উঠতে এবং কোন অসাধু চক্র যেন ঘাটতির নামে বাজার অস্থিতিশীল করে তুলতে না পারে সে কারণে সরকারি পর্যায়ে চাল আমদানি করতে হয়েছিলো।

তবে বর্তমানে দেশ চালে স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে দাবি করেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের দাবী দুযোর্গ নয় বরং নির্বাচনের বছরকে সামনে রেখেই এই আমদানি বাড়ানো হয়েছে।

দেশের এই আমদানি নির্ভরতা কমাতে দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা এবং অভ্যন্তরিণ উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া আগামী মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বোরো ফলন ভালো হলে খাদ্য আমদানী সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তবে এই আমদানির ধারা অব্যাহত থাকলে এবং ঠিকমতো বাজার মনিটরিং না হলে দেশের হতদরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত প্রায় দুই কোটি মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা হুমকি মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

Spread the love

Related posts