একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ এর ২৯৮টি আসনের ফলাফল

স্টাফ রিপোর্টার: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

প্রার্থীর মৃত্যুতে একটি আসনের নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তিনটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিতে আটকে গেছে আরেক আসনের ফলাফল।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফলে বিজয়ী ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা তুলে ধরা হল-

দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল): আওয়ামী লীগের মনোরঞ্জন শীল গোপাল ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম ধানের শীষের মোহাম্মদ হানিফ পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯২৮ ভোট।

দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ): আওয়ামী লীগের খালিদ মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাদিক রিয়াজ চৌধুরীর ভোট ৪৮ হাজার ৮২২।

দিনাজপুর-৩ (সদর): আওয়ামী লীগের ইকবালুর রহিম পেয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৪৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীকের খায়রুজ্জামানের ভোট ৩৯ হাজার ২৪৭।

দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা): আওয়ামী লীগের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির আখতারুজ্জামান মিয়া ৬১ হাজার ৭০৬ ভোট।

দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী): আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮০ ভোট। নিকটতম বিএনপির এজেডএম রেজওয়ানুল হক ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৬৭ ভোট।

দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট): আওয়ামী লীগের শিবলী সাদিক ২ লাখ ৮১ হাজার ৮৯১ ভোট। নিকটতম বিএনপির আনোয়ারুল ইসলাম ৬৯ হাজার ৭৬৯ ভোট।

বরগুনা-১: আওয়ামী লীগের ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির মতিয়ার রহমান তালুকদার ১৫ হাজার ৩৪৪ ভোট।

বরগুনা-২: আওয়ামী লীগের শওকত হাচানুর রহমান রিমন ২ লাখ ৩২৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির খন্দকার মাহবুব হোসেন ৯ হাজার ৫১৮ ভোট।

বরিশাল-১: আওয়ামী লীগের আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ২ লাখ ৫ হাজার ৫০২ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের জহিরউদ্দিন স্বপন এক হাজার ৩০৫ ভোট।

বরিশাল-২: আওয়ামী লীগের শাহে আলম ২ লাখ ১২ হাজার ৩৪৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ১১ হাজার ১৩৭ ভোট।

বরিশাল-৩: জাপার লাঙ্গল প্রতীকের গোলাম কিবরিয়া টিপু ৫৪ হাজার ৭৭৮। নিকটতম শীষের জয়নুল আবেদীন ৪৭ হাজার ২৮৭ ভোট।

বরিশাল-৪: আওয়ামী লীগের পংকজ নাথ ২ লাখ ৪১ হাজার ৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের নূরুর রহমান জাহাঙ্গীর ৯ হাজার ২৮২ ভোট।

বরিশাল-৫: আওয়ামী লীগের জাহিদ ফারুক শামিম ২ লাখ ১৫ হাজার ৮০ ভোট। নিকটতম বিএনপির মজিবর রহমান সরওয়ার ৩১ হাজার ৩৬২ ভোট।

বরিশাল-৬: জাপার লাঙ্গল প্রতীকের নাসরিন জাহান রতনা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯৮ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের আবুল হোসেন ১৩ হাজার ৬৫৮ ভোট।

ভোলা-১ (সদর): আওয়ামী লীগের তোফায়েল আহমেদ ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪০৯ ভোট। নিকটতম হাতপাখা প্রতীকের ইয়াসীন আহমেদ ৭ হাজার ৮০১ ভোট।

ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন): আওয়ামী লীগের আলী আজম মুকুল ২ লাখ ২৬ হাজার ১২৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির হাফিজ ইব্রাহিম ১৩ হাজার ৯৯৯ ভোট।

ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন): আওয়ামী লীগের নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ২ লাখ ৫০ হাজার ৪১১ ভোট। নিকটতম বিএনপির হাফিজ উদ্দিন দুই হাজার ৫০২ ভোট।

ভোলা-৪ ( চরফ্যাশন-মনপুরা): আওয়ামী লীগের আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ২ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলনের মহিবুল্লাহ ৬ হজার ২২২ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ): আওয়ামী লীগের সামিল উদ্দীন আহমেদ ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৮ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের শাহজাহান মিঞা ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫০ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (ভোলাহাট, নাচোল ও গোমস্তাপুর): ঐক্যফ্রন্টের আমিনুল ইসলাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৬৬ ভোট। নিকটতম মহাজোটের প্রার্থী মুহা. জিয়াউর রহমান নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫২ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর): ঐক্যফ্রন্টের হারুনুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৬১ ভোট। নিকটতম মহাজোটের আব্দুল ওদুদ নৌকা প্রতীকে ৮৫ হাজার ৯৩৮ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা-১; আওয়ামী লীগের সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন তিন লাখ নয় হাজার ৯৭২ ভোট। নিকটতম বিএনপির মো. শরীফুজ্জামান ২৩ হাজার ১২০ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা-২: আওয়ামী লীগ আলী আজগার টগর দুই লাখ ৯৮ হাজার ৮৩৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু ২৬ হাজার ৯২৪ ভোট।

কুমিল্লা-১: নৌকার সুবিদ আলী ভুঁইয়া ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মোশারফ হোসেন ৯৫ হাজার ৫৪২ ভোট।

কুমিল্লা-২: আওয়ামী লীগের সেলিনা আহমাদ মেরী ২ লাখ ৬১৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (ধানের শীষ) খন্দকার মোশারফ হোসেন ২০ হাজার ৯২৫ ভোট।

কুমিল্লা-৩: আওয়ামী লীগের ইউসুফ আব্দল্লা হারুন ২ লাখ ৭৩ হাজার ১৮২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মজিবুর রহমান ১২ হাজার ৩৫৮ ভোট।

কুমিল্লা-৪: আওয়ামী লীগের রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৪৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আব্দুল মালেক রতন ৭ হাজার ৯৫৮ ভোট।

কুমিল্লা-৫: আওয়ামী লীগের আব্দুল মতিন খসরু ২ লাখ ৯০ হাজার ৫৪৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের অধ্যাপক ইউনুস ১২ হাজার ১১৩ ভোট।

কুমিল্লা-৬ (সদর): আওয়ামী লীগের আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০০ ভোট। নিকটতম বিএনপি প্রার্থী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন ১৮ হাজার ৫৩৫ ভোট।

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা): আওয়ামী লীগের আলী আশরাফ ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯০১ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের এলডিপি মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ ১৫ হাজার ৭৪৭ ভোট।

ফরিদপুর-১: আওয়ামী লীগের মনজুর হোসেন ৩ লাখ ৫ হাজার ৪৯১ ভোট। নিকটতম প্রার্থী বিএনপির শাহ মো. আবু জাফর ২৭ হাজার ৭৯ ভোট।

ফরিদপুর-২: আওয়ামী লীগের সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ২ লাখ ১৯ হাজার ২০৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম রিঙ্কু ১৪ হাজার ৮৮৫ ভোট।

ফরিদপুর-৩: আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭১ ভোট। নিকটতম বিএনপির চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ২১ হাজার ৫০০ ভোট।

ফরিদপুর-৪: স্বতন্ত্র মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন ১ লাখ ৪৪ হাজার ১৭৯ ভোট। নিকটতম আওয়ামী লীগের কাজী জাফরউল্লাহ ৯৪ হাজার ২৩৬ ভোট।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ): জাতীয় পার্টির (এ) শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল) ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জামায়াতের মাজেদুর রহমান ৬৫ হাজার ১৭৩ ভোট।

গাইবান্ধা-২ (সদর): মহাজোট সমর্থিত আওয়ামী লীগের মাহাবুব আরা বেগম গিনি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুর রশীদ সরকার ৬৮ হাজার ৬৭০ ভোট।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ): আওয়ামী লীগের মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ৩ লাখ ৮৬০ ভোট। নিকটতম জাতীয় পার্টির (এ) কাজী মো. মশিউর রহমান ৫ হাজার ৭১৭ ভোট।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা): আওয়ামী লীগের মো. ফজলে রাব্বি মিয়া ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৬১ ভোট। নিকটতম বিএনপির মো. ফারুক আলম সরকার ১৯ হাজার ৯৯৬ ভোট।

গাজীপুর-১: আওয়ামী লীগের আ ক ম মোজাম্মেল হক ৪ লাখ ১ হাজার ৫১৮ ভোট। নিকটতম চৌধুরী তানবীর আহমেদ সিদ্দিকী ৯৪ হাজার ৭২৩ ভোট।

গাজীপুর-২: আওয়ামী লীগের জাহিদ আহসান রাসেল ৪ লাখ ১২ হাজার ১৪০ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের সালাহ উদ্দিন সরকার ১ লাখ ১ হাজার ৪০ ভোট।

গাজীপুর-৩: আওয়ামী লীগের মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩২০ ভোট। নিকটতম বিএনপির ইকবাল সিদ্দিকী ৩৭ হাজার ৭৮৬ ভোট।

গাজীপুর-৪: আওয়ামী লীগের সিমিন হোসেন রিমি ২ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহ রিয়াজুল হান্নান ১৮ হাজার ৫৮২ ভোট।

গাজীপুর-৫: আওয়ামী লীগের মেহের আফরোজ চুমকি ২ লাখ ৭ হাজার ৬৯৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির এ কে এম ফজলুল হক মিলন ২৭ হাজার ৯৭৬ ভোট।

গোপালগঞ্জ-১: আওয়ামী লীগের মুহাম্মদ ফারুক খান ৩ লাখ ৩ হাজার ৯৪২ ভোট। নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মিজানুর রহমান ৭০২ ভোট।

গোপালগঞ্জ-২: আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিম ২ লাখ ৮১ হাজার ৯০৯ ভোট। নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তসলিম সিকদার ৬০৮ ভোট।

গোপালগঞ্জ-৩: আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৩৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির এসএম জিলানী ১২৩ ভোট।

জামালপুর-১: আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬০৫ ভোট। নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল মজিদ ৫ হাজার ২২৪ ভোট।

জামালপুর-২: আওয়ামী লীগের ফরিদুল হক খান দুলাল ১ লাখ ৮০ হাজার ৪১৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির সুলতান মাহমুদ বাবু ১৬ হাজার ৭২১ ভোট।

জামালপুর-৩: আওয়ামী লীগের মির্জা আজম ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৮২৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ৪ হাজার ৬৫৬ ভোট।

জামালপুর-৪: আওয়ামী লীগের মুরাদ হাসান ২ লাখ ১৭ হাজার ১৯৮ ভোট। নিকটতম জাতীয় পার্টির মোখলেছুর রহমান বস্তু ১ হাজার ৫৯৩ ভোট।

জামালপুর-৫: আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন ৩৪ হাজার ৮৭ ভোট।

যশোর-১ (শার্শা): আওয়ামী লীগের শেখ আফিল উদ্দিন ২ লাখ ১১ হাজার ৪৪৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মফিকুল হাসান তৃপ্তি ৪ হাজার ৯৮১ ভোট।

যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): নৌকার নাসির উদ্দিন ৩ লাখ ২৫ হাজার ৭৯৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মুহাদ্দিস আবু সাইদ ১৩ হাজার ৯৪০ ভোট।

যশোর-৩ (সদর): নৌকার কাজী নাবিল আহমেদ ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৩৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ৩১ হাজার ৭১০ ভোট।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া): নৌকার রণজিত কুমার রায় ২ লাখ ৭২ হাজার ১৬৭ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের টিএস আইয়ুব ৩০ হাজার ৮৭৪ ভোট।

যশোর-৫ (মণিরামপুর): নৌকার স্বপন ভট্টাচার্য ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৫৬ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মুফতি ওয়াক্কাস ২৪ হাজার ৬২১ ভোট।

যশোর-৬ (কেশবপুর): নৌকার ইসমত আরা সাদেক ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ৫ হাজার ৬৭৩ ভোট।

ঝালকাঠি-১: আওয়ামী লীগের বজলুল হক হারুন ১ লাখ ৩১ হাজার ৫২৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহজাহান ওমর ৬ হাজার ১৫১ ভোট।

ঝালকাঠি-২: আওয়ামী লীগের আমির হোসেন আমু ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৭ ভোট। বিএনপির জীবা আমিনা খান ৫ হাজার ৯৮২ ভোট।

খাগড়াছড়ি: আওয়ামী লীগের কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ২ লাখ ৩৬ হাজার ১৫৬ ভোট। নিকটতম ইউপিডিএফ সমর্থিত স্বতন্ত্র নতুন কুমার চাকমা ৫৯ হাজার ২৫৭ ভোট।

খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা): আওয়ামী লীগের পঞ্চানন বিশ্বাস ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির আমীর এজাজ খান ২৮ হাজার ৪৩৭ ভোট।

খুলনা-২ (সদর ও সোনাডাঙ্গা): আওয়মী লীগের সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল ১ লাখ ১২ হাজার ১০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ২৭ হাজার ৩৭৯ ভোট।

খুলনা-৩ (খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী): আওয়ামী লীগের বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল ২৩ হাজার ৬০৬ ভোট।

খুলনা-৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া): আওয়ামী লীগের আব্দুস সালাম মুর্শেদী ২ লাখ ২৩ হাজার ২১৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল ১৪ হাজার ১৮৭ ভোট।

খুলনা-৫ (ফুলতলা-ডুমুরিয়া): আওয়ামী লীগের নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ২ লাখ ৩১ হাজার ৭২৫ ভোট। নিকটতম জামায়াতের মিয়া গোলাম পরওয়ার ১৪ হাজার ১৮৭ ভোট।

খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা): আওয়ামী লীগের আক্তারুজ্জামান বাবু ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫৯ ভোট। নিকটতম জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদ ১৯ হাজার ২৫৭ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-১: আওয়ামী লীগের সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ২ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির রেজাউল করিম খান ৭১ হাজার ৭৩৩ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-২: আওয়ামী লীগের নূর মোহাম্মদ ৩ লাখ ৭৭৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির আখতারুজ্জমান ৫৪ হাজার ৫০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৩: জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু ২ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩৬ ভোট। জাসদের (রব) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ৩১ হাজার ৫৬২ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৪: আওয়ামী লীগের রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক ২ লাখ ৫৮ হাজার ২২৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির ফজলুর রহমান ৪ হাজার ৮৭০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৫: আওয়ামী লীগের আফজাল হোসেন ২ লাখ ২ হাজার ১৭৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ২৭ হাজার ৫৯৪ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৬: আওয়ামী লীগের নাজমুল হাসান পাপন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩৩ ভোট। বিএনপির শরীফুল আলম ২৭ হাজার ৮৯০ ভোট।

কুড়িগ্রাম-১: আওয়ামী লীগের আছলাম হোসেন সওদাগর ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৭৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির সাইফুর রহমান রানা ১ লাখ ১৯ হাজার ২২৭ ভোট।

কুড়িগ্রাম-২: জাপার পনির উদ্দিন আহমেদ ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের গণফোরাম প্রার্থী আমসাআ আমিন ১ লাখ ৪ হাজার ৩০২ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৩: আওয়ামী লীগের এমএ মতিন ১ লাখ ৩১ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জেলা বিএনপি’র সভাপতি তাসভীর উল ইসলাম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ২৮৫ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪: আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. জাকির হোসেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৮৬টি। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির আজিজুর রহমান ৫৫ হাজার ১৮৯ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-১: নৌকার আনোয়ার হোসেন খান ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৩৮ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী এলডিপির যুগ্ন মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম ৩৮ হাজার ৮৯২ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-২: স্বতন্ত্র শহীদুল ইসলাম পাপুল (কুয়েত আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক) ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৮০ ভোট। আবুল খায়ের ভুইয়া ধানের শীষে ২৮ হাজার ৬৫ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-৩: আওয়ামী লীগের এ কে এম শাহাজাহান কামাল ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৮ ভোট। বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ১৪ হাজার ৪৯২ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-৪: নৌকার আব্দুল মান্নান ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯০৬ ভোট। নিকটতম আ স ম আব্দুর রব ধানের শীষে ৪০ হাজার ৯৭৩ ভোট।

মাদারীপুর-১: আওয়ামী লীগের নূর ই আলম চৌধুরী লিটন ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৪ ভোট। নিকটতম হাতপাখা পেয়েছে ৪৩৬ ভোট।

মাদারীপুর-২: আওয়ামী লীগের নৌ মন্ত্রী শাজাহান খান ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৪০ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ ২ হাজার ৫৮৮ ভোট।

মাদারীপুর-৩: আওয়ামী লীগের আব্দুস সোবাহান গোলাপ ২ লাখ ৫২ হাজার ৬৪১। নিকটতম ধানের শীষ ৩ হাজার ৩০০ ভোট।

মানিকগঞ্জ-১: আওয়ামী লীগের নাঈমুর রহমান দুর্জয় ২ লাখ ৫১ হাজার ২৫৫ ভোট।নিকটতম বিএনপির খোন্দকার আবদুল হামিদ ৫৬ হাজার ৪৪৭ ভোট।

মানিকগঞ্জ-২: আওয়ামী লীগের মমতাজ বেগম ২ লাখ ৭৮ হাজার ৪৩৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির মঈনুল ইসলাম খান ৫০ হাজার ৩৪ ভোট।

মানিকগঞ্জ-৩: আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৬ ভোট। নিকটতম গণফোরামের মফিজুল ইসলাম খান ৩০ হাজার ৩৮১ ভোট। বিএনপির প্রার্থী ছিল না।

মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান-শ্রীনগর): মহাজোটের প্রার্থী বিকল্প ধারা বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরী নৌকা প্রতীকে ২ লাখ ৮৬ হাজার ৬৮১ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ৪৪ হাজার ৮৮৮ ভোট।

মুন্সীগঞ্জ-২ (টঙ্গীবাড়ি-লৌহজং): আওয়ামী লীগের সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি ২ লাখ ১৫ হাজার ৩৮৫ ভোট। নিকটতম বিএনপি মিজানুর রহমান সিনহা ১৪ হাজার ৬৫ ভোট।

মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া): আওয়ামী লীগ মনোনীত মৃণাল কান্তি দাস ৩ লাখ ১৩ হাজার ৩৫৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুল হাই ১২ হাজার ৭৩৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া): আওয়ামী লীগের জুয়েল আরেং ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯২৩ ভোট। নিটকতম আফজাল এইচ খান ধানের শীষ প্রতীকে ২৮ হাজার ৬৩৮ ভোট।

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা): আওয়ামী লীগের শরীফ আহম্মেদ ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৮৯ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের শাহ শহীদ সারোয়ার ৬২ হাজার ৩শ ৩৪ ভোট।

ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর): আওয়ামী লীগের নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসাইন ২৪ হাজার ৫১৯ ভোট।

ময়মনসিংহ-৪ (সদর): জাপার রওশন এরশাদ লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবু ওয়াহাব আকন্দ ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩ ভোট।

ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা): আওয়ামী লীগের কেএম খালিদ বাবু ২ লক্ষ ৩২ হাজার ৫৬৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের জাকির হোসেন বাবলু ২২ হাজার ২০৩ ভোট।

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া): আওয়ামী লীগের মোসলেম উদ্দিন ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৫ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের ইঞ্জিনিয়ার শামস্ উদ্দিন ৩২ হাজার ৩৩২ ভোট।

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল): নৌকার হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী ২ লাখ ৪ হাজার ৭৩৪ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মাহবুবুর রহমান লিটন ৩৬ হাজার ৪০৮ ভোট।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ): লাঙ্গল প্রতীকের মহাজোট প্রার্থী ফখরুল ইমাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৯ ভোট। নিটকতম গণফোরামের এ এইচ এম খালেকুজ্জামান ধানের শীষ প্রতীকে ৩৪ হাজার ৬৩ ভোট।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল): নৌকার আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন ২ লাখ ২৭ হাজার ২৭৩ ভোট। নিকটতম খুররুম খান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ২০ হাজার ৮৬০ ভোট।

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও): নৌকার ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল ২ লাখ ৮১ হাজার ২৩০ ভোট। নিকটতম এলডিপির সৈয়দ মাহমুদ মোর্শেদ ধানের শীষে ২৭ হাজার ভোট।

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা): নৌকার কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু ২ লাখ ২২ হাজার ২৪৮ ভোট। নিকটতম ফখর উদ্দিন আহম্মেদ ধানের শীষে ২৭ হাজার ২৭৭ ভোট।

নড়াইল-২: জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা নৌকায় ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ধানের শীষে ৭ হাজার ৮৮৩ ভোট।

নড়াইল-১: কবিরুল হক মুক্তি নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৫২৯ ভোট। নিকটতম জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর ৮ হাজার ৯১৯ ভোট।

নরসিংদী-১ (সদর): মহাজোটের নজরুল ইসলাম (হিরু) নৌকায় ২ লাখ ৭১ হাজার ৪৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির খায়রুল কবির খোকন ২৪ হাজার ৭৮৭ ভোট।

নরসিংদী-২ (পলাশ): মহাজোটের আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ নৌকায় ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান ৭ হাজার ৩৬০ ভোট।

নরসিংদী- ৩ (শিবপুর): আওয়ামী লীগের জহিরুল হক ভূইয়া মোহন নৌকায় ৯৪ হাজার ৩৫ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ৫২ হাজার ৮৭৬ ভোট। (১টি কেন্দ্র স্থগিত)

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব): আওয়ামী লীগের নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন নৌকায় ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ধানের শীষে ১৬ হাজার ৫০৫।

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা): আওয়ামী লীগের রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু নৌকায় ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৮৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির আশরাফুল ইসলাম বকুল ২০ হাজার ৪৩১ ভোট।

নাটোর-১: আওয়ামী লীগের শহিদুল ইসলাম ২,৪৭,৫৪৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির কামরুন্নাহার শিরিন ১৫,৩৩৮ ভোট।

নাটোর-২: আওয়ামী লীগের শফিকুল ইসলাম ২,৬০,৫০৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির সাবিনা ইয়াসমিন ১৩,৪৫৯ ভোট।

নাটোর-৩: আওয়ামী লীগের জুনাইদ আহম্মেদ ২,৩০,৮৮১ ভোট। নিকটতম বিএনপির দাউদার মাহমুদ ৮,৭৫০ ভোট।

নাটোর-৪: আওয়ামী লীগের আব্দুল কুদ্দুস ২,৮৬,২৬২ ভোট। নিকটতম জাতীয় পার্টির আলাউদ্দিন মৃধা ৬,৯৭৯ ভোট।

নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা): নৌকা প্রতীকের মানু মজুমদার ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৭৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির কায়সার কামাল ১৭ হাজার ৬৫২ ভোট।

নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা): আওয়ামী লীগের আশরাফ আলী খান খসরু ২ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ ভোট। নিকটতম বিএনপির আনোয়ারুল হক ৩০ হাজার ৩৭০ ভোট।

নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া): কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯২৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী ৭ হাজার ২২০ ভোট।

নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী): আওয়ামী লীগের রেবেকা মমিন ২ লাখ ৪ হাজা ৪৪৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির তাহমিনা ৩৮ হাজার ১৮১ ভোট।

নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা): আওয়ামী লীগের ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৭৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবু তাহের তালুকদার ১৫ হাজার ৬৩৮ ভোট।

পাবনা-১: আওয়ামী লীগের শামসুল হক টুকু নৌকা প্রতীকে ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৯৯২ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আবু সাইয়িদ ধানের শীষ প্রতীকে ১৫ হাজার ৩৯১ ভোট।

পাবনা-২: আওয়ামী লীগের আহমেদ ফিরোজ কবির নৌকা প্রতীকে ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৮১ ভোট। নিকটতম বিএনপির একেএম সেলিম রেজা হাবিব ধানের শীষ প্রতীকে ৫ হাজার ৩৮৩ ভোট।

পাবনা-৩: আওয়ামী লীগের মকবুল হোসেন নৌকা প্রতীকে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯৬৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির কেএম আনোয়ারুল ইসলাম ৫৬ হাজার ৮২০ ভোট।

পাবনা-৪: আওয়ামী লীগের শামসুর রহমান শরিফ ডিলু ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯৬৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব ৪৮ হাজার ৩৮৩ ভোট।

পাবনা-৫: আওয়ামী লীগের গোলাম ফারুক প্রিন্স ৩ লক্ষ ২১ হাজার ৪৫৮ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের (জামায়াত) হাফেজ মোহা. ইকবাল হোসাইন ২০ হাজার ৬৩৬ ভোট।

পঞ্চগড়-১: আওয়ামী লীগের মজাহারুল হক প্রধান ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৯ ভোট।

পঞ্চগড়-২: আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম সুজন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯৪ ভোট। বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৫ ভোট।

পিরোজপুর-১ (সদর-নাজিরপুর-স্বরুপকাঠী): আওয়ামী লীগের শ ম রেজাউল করিম ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ৬১০ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী ৮ হাজার ৩০৮ ভোট।

পিরোজপুর-২ (ভান্ডারিয়া-ইন্দুরকারী-কাউখালি): মজাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৪২৫ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ধানের শীষে ৬ হাজার ৩২৬ ভোট।

পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া): মজাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (এরশাদ) রুস্তুম আলী ফরাজী লঙ্গল মার্কায় ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩১০ ভোট। নিকটতম বিএনপির রুহুল আমীন দুলাল ৭ হাজার ৬৯৮ ভোট।

রাজবাড়ী-১: আওয়ামী লীগের কাজী কেরামত আলী ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯১৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ৩৩ হাজার ভোট।

রাজবাড়ী-২: আওয়ামী লীগের জিল্লুল হাকিম ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির নাসিরুল হক সাবু ৫ হাজার ৪৭৫ ভোট।

রাঙামাটিতে নৌকা প্রতীকের দীপংকর তালুকদার ১ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮৪৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম জনসংহতি সমিতি সমর্থিত স্বতন্ত্র ঊষাতন তালুকদার ৯৪ হাজার ৪৪৯ ভোট।

সাতক্ষীরা-১: (তালা-কলারোয়া): মহাজোট প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির মুস্তফা লুৎফুল্লাহ নৌকা প্রতীকে ৩ লাখ ৩১ হাজার ৪০১ ভোট। নিকটতম বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব ১৬ হাজার ৯০২ ভোট।

সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর): আওয়ামী লীগের মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ১ লাখ ১০ হাজার ভোট। নিকটতম জামায়াতের মুহাদ্দিস আবদুল খালেক ধানের শীষ প্রতীকে ১৩ হাজার ভোট।

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি দেবহাটা ও কালিগঞ্জ উপজেলার আংশিক): আওয়ামী লীগের আ ফ ম রুহুল হক ৩ লাখ ৪ হাজার ৩৩৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির শহিদুল আলম ২৪ হাজার ৩৫৩ ভোট।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর ও কালিগঞ্জের আংশিক): আওয়ামী লীগের এসএম জগলুল হায়দার ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। নিকটতম ২০ দলীয় জোটের জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ৩০ হাজার ৪৮৬ ভোট।

শেরপুর-১: নৌকার হুইপ আতিউর রহমান আতিক ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ ভোট। নিকটমত বিএনপি ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা ২৭ হাজার ৬৪৩ ভোট।

শেরপুর-২: আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী ৩ লাখ ৪৪২ ভোট। নিকটতম বিএনপির ফাহিম চৌধূরী ৭ হাজার ৬৫২ ভোট।

শেরপুর-৩: নৌকার প্রার্থী প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল চান ২ লাখ ৫১ হাজার ৯৩৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির মাহামুদুল হক রুবেল ১২৪৯১ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর): আওয়াশী লীগের মোহাম্মদ নাসিম ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ১ হাজার ১১৮ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ): আওয়ামী লীগের হাবিবে মিল্লাত মুন্না ২ লাখ ৯৪ হাজার ৮০৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির রুমানা মাহমুদ ১৩ হাজার ৭২৮ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ): আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল আজিজ ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুল মান্নান তালুকদার ২৬ হাজার ২০০ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া): আওয়ামী লীগের তানভীর ইমাম ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬ ভোট। নিকটতম জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষে ২৪ হাজার ৮৯৩ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী): আওয়ামী লীগের আব্দুল মমিন মন্ডল ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৬২ ভোট। নিকটতম বিএনপির আমিরুল ইসলাম খান ২৭ হাজার ৭১৭ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর): আওয়ামী লীগের হাসিবুর রহমান স্বপন ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির এম এ মুহিত ১৪ হাজার ৬৯৭ ভোট।

সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর-জামালগঞ্জ-ধর্মাপাশা): আওয়ামী লীগের মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ২ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের নজির হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে ৭৮ হাজার ৯১৫ ভোট।

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা): আওয়ামী লীগের জয়া সেনগুপ্তা ১ লাখ ২৪ হাজার ১৭ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের নাছির উদ্দিন চৌধুরী ৬৭ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ): আওয়ামী লীগের এম এ মান্নান ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের শাহিনূর পাশা চৌধুরী ৫২ হাজার ৯২৫ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর): মহাজোটের প্রার্থী পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ লাঙ্গল প্রতীকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৯ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের ফজলুল হক আছপিয়া ধানের শীষে ৬৯ হাজার ৭৪৯ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারা): আওয়ামী লীগের মুহিবুর রহমান মানিক ২ লাখ ২১ হাজার ৩২৮ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের মিজানুর রহমান চৌধুরী ধানের শীষে ৮৯ হাজার ৬৪২ ভোট।

সিলেট-১: আওয়ামী লীগ একে আব্দুল মোমেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুল মুক্তাদির ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৫১ ভোট।

সিলেট-২: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুকাব্বির খান ৬৯ হাজার ৪২০ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র মুহিবুর রহমান ৩০ হাজার ৪৪৯ ভোট।

সিলেট-৩: আওয়ামী লীগের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির শফি আহমদ চৌধুরী ৭৯ হাজার ৮৬৫ ভোট।

সিলেট-৪: আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী ইমরান আহমদ ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৭২ ভোট । নিকটতম বিএনপির দিলদার হোসেন সেলিম ৯২ হাজার ৪৪৮ ভোট।

সিলেট-৫: আওয়ামী লীগের হাফিজ আহমদ মজুমদার ২ লাখ ৭ হাজার ১৯১ ভোট। নিকটতম জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৬০ ভোট।

সিলেট-৬: আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম নাহিদ ১ লাখ ৯৬ হাজার ১৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির ফয়সল আহমদ চৌধুরী ১ লাখ ৮ হাজার ৭৯ ভোট।

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী): আওয়ামী লীগের আব্দুর রাজ্জাক ২ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৭ ভোট। নিকটতম বিএনপি সরকার শহিদ ১৬ হাজার ৪০৬ ভোট।

টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর): আওয়ামী লীগের তানভীর হাসান ছোট মনির ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩২ ভোট। নিকটতম বিএনপির সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু ১১ হাজার ১৪৯ ভোট।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল): আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান খান ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫১ ভোট। নিকটতম বিএনপির লুৎফর রহমান খান আজাদ ৮ হাজার ৫৭০ ভোট।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী): আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ হাসান ইমাম খান ২ লাখ ২৪ হাজার ১২ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের লিয়াকত আলী ৩৪ হাজার ৩৮৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর): আওয়ামী লগের ছানোয়ার হোসেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির মাহমুদুল হাসান ৭৮ হাজার ৩৫৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর): আওয়ামী লীগ প্রার্থী আহসানুল ইসলাম টিটু ২ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির গৌতম চক্রবর্তী ৪০ হাজার ৩২৪ ভোট।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর): আওয়ামী লীগ প্রার্থী একাব্বর হোসেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯১ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ৮৭ হাজার ৯৪৯ ভোট।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল): আওয়ামী লীগের জোয়াহেরুল ইসলাম ২ লাখ ৮ হাজার ৩৩৪ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ধানের শীষ প্রার্থী কুড়ি সিদ্দিকী ৭২ হাজার ২১১ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-১: আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেন ২ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৯৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৭ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-২: আওয়ামী লীগের দবিরুল ইসলাম ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৬১৬ ভোট। নিকটতম জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল হাকিম ১৫ হাজার ৬৩৮ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৫: জাতীয় পার্টির এ কে এম সেলিম ওসমান ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫৪৫ ভোট। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এস এম আকরাম ৫২ হাজার ৩৫২ ভোট।

শরীয়তপুর-১: আওয়ামী লীগ ইকবাল হোসেন ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৯ ভোট। হাতপাখার তোফয়েল আহমেদ ১ হাজার ৪২৭ ভোট

বগুড়া-৬ বিএনপি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৭ হাজার ২৫ ভোট। লাঙ্গলের নুরুল ইসলাম ওমর ৪০ হাজার ৩৬২ ভোট।

বগুড়া-৭ স্বতন্ত্র রেজাউল করিম বাবলু ১ লাখ ৯০ হাজার ২৯৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গলের মো. আলতাফ আলী ২৬ হাজার ৫৪ ভোট।

বাগেরহাট-৪: আওয়ামী লীগের মোজাম্মেল হক ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪১ ভোট। নিকটতম হাতপাখার আ. মজিদ হাওলাদার ২ হাজার ৪৭১ ভোট।

চট্টগ্রাম-৪: আওয়ামী লীগের দিদারুল আলম ২ লাখ ৬৬ হাজার ১১৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী ৩০ হাজার ১৪ ভোট।

মৌলভীবাজার-২: জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট। নৌকা প্রতীকে বিকল্প ধারার এম এম শাহীন ৭৭ হাজার ১৭০ ভোট।

মৌলভীবাজার-৪: আওয়ামী লীগের আব্দুস শহীদ ২ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট। বিএনপির মুজিবর রহমান চৌধুরী ৯৩ হাজার ২৯৫ ভোট।

নওগাঁ-২: আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান সরকার- ১ লাখ ৭২ হাজার ১৩১ ভোট। বিএনপির শামসুজ্জোহা খান ১ লাখ ৬৬৫ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: আসনের ৩টি কেন্দ্রের ফল স্থগিত করা হয়েছে। ওই সব কেন্দ্রে নতুন করে ভোট হওয়ার পর ফল ঘোষণা করা হবে।

Spread the love

Related posts