অর্থ-বাণিজ্য

আজও লেনদেনের শুরুতে ধস শেয়ারবাজারে

নিউজ ডেস্ক : আগের দুই কার্যদিবসের মতো সোমবারও লেনদেনের শুরুতেই ধসের মধ্যে পড়েছে দেশের শেয়ারবাজার। লেনদেন শুরুর পর একঘণ্টা পার হওয়ার আগেই প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে।

সূচকের বড় পতনের পাশাপাশি দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। সেই সঙ্গে লেনদেনেও ধীরগতি দেখা যাচ্ছে।

এর আগে গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার এবং চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়। এতে দুদিনেই ডিএসইর প্রধান সূচক ১৬৫ পয়েন্ট নেই হয়ে গেছে। এই ধসের মধ্যে পড়ে বিনিয়োগকারীরা হারিয়েছেন ১৩ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা। তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার মাধ্যমে এই অর্থ হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

টানা ধসের ধকলের মধ্যে সোমবার লেনদেনের শুরুতেই আর এক ধাক্কা খান বিনিয়োগকারীরা। লেনদেন শুরুর পর প্রথম ২০ মিনিট ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বাজারের প্রকৃত চিত্র দেখতে পারছিলেন না বিনিয়োগকারীরা। ২০ মিনিট অন্ধকারে থাকার পর ডিএসইর ওয়েবসাইট সচল হলে আরও বড় ধাক্কা খান বিনিয়োগকারীরা। ওয়েবসাইটে চোখ রেখে দেখেন দরপতন হচ্ছে একের পর এক প্রতিষ্ঠানের। ফলে দেখতে দেখতে ধসে রূপ নেয় শেয়ারবাজার।

লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে পতনের মাত্র। ব্যাংক, বীমা, বস্ত্র, প্রকৌশল, ওষুধসহ প্রতিটি খাতের একের পর এক প্রতিষ্ঠান নাম লেখাচ্ছে পতনের তালিকায়।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০টা ৫৮ মিনিটের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৯ পয়েন্টে পড়ে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ১৬ পয়েন্ট কমেছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৩১ পয়েন্ট।

এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া মাত্র ৪১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২০০টির। আর ৬৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১৯৩ কোটি ৭৫ টাকা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ৮১ পয়েন্ট কমে যায়। আর চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার সূচকটি কমে ৮৪ পয়েন্ট।

এদিকে রোববার প্রথম আধাঘণ্টার লেনদেনে অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৫৩ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ৯৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২০টির, কমেছে ৫৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির।

Back to top button