আইন-আদালত

ভার্চুয়াল শুনানিতে ৮ দিনে সাড়ে ১৮ হাজার জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাদেশের সব অধস্তন (নিম্ন) আদালতে ভার্চুয়াল শুনানি নিয়ে গত বুধবার (২০ মে) একদিনে চার হাজার ৪৮৪ জন আসামিকে জামিন দেয়া হয়েছে। বুধবারসহ আট দিনে মোট ১৮ হাজর ৫৮৫ জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।

তিনি আরও জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারাদেশের অধস্তন আদালতে কার্যরত ভার্চুয়াল আদালত গত ৮ কার্যদিবসে ২৮ হাজার ৩৪৯টি জামিন আবেদন নিষ্পত্তি করেছে। এরমধ্যে ১৮ হাজর ৫৮৫ জন আসামিকে জামিন দেওয়া হয়েছে। গত ১০ মে নিম্ন আদালতের ভার্চুয়াল কোর্টে শুধু জামিন শুনানি করতে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে একটি চেম্বার আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগে চারটি ভার্চুয়াল বেঞ্চ গঠন করা হয়।
এরপর থেকে নিম্ন আদালতে ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন শুনানি শুরু হয়। পরদিন ১১ মে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এক আসামির জামিনের খবর আসে এরপর ১২ মে ১৪৪ জন, ১৩ মে এক হাজার ১৩ জন, ১৪ মে এক হাজার ৮২১ জন এবং ১৭ মে তিন হাজার ৪৪৭ জন, ১৮ মে তিন হাজার ৬৩৩ জন, ১৯ মে চার হাজার ৬৩ জন এবং ২০ মে চার হাজার ৪৮৪ জন আসামিকে জামিন দেওয়া হয়।

এর আগে প্রধানবিচারক সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নির্দেশনায় গত ১০ মে নিম্ন আদালতের ভার্চুয়াল কোর্টে শুধু জামিন শুনানি করতে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এ বিষয়ে ওইদিন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আলী আকবর।

সাত দিনে ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন পেল ২০৫ শিশু:
অন্যদিকে, সাত দিনে ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে জামিন পেয়েছে সমাজ সেবা অধিদফতরের অধীনে থাকা তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ২০৫ জন শিশু। গত ১২ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে জামিন পায় এসব শিশুরা।

এরইমধ্যে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় জামিনপ্রাপ্ত ১৩৫ জন শিশুকে তাদের অভিভাবকের ঠিকানায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বাকি শিশুদের ঈদের আগেই অভিভাবকের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। সমাজসেবা অধিদফতর সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, সমাজসেবা অধিদফতর দেশের তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিচালনা করে আসছে। কেন্দ্র তিনটি গাজীপুর জেলার টঙ্গী ও কোনাবাড়ি এবং যশোরে অবস্থিত। এরমধ্যে টঙ্গী ও যশোরের কেন্দ্র দুটি বালকদের জন্য নির্ধারিত। আর কোনাবাড়ির কেন্দ্রটিতে বালিকাদের রাখা হয়।

Back to top button
Close
Close